DMCA.com Protection Status
ADS

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গাড়ীবহরে আবার হামলা,গুলি বর্ষন,ব্যাপক ভাংচূরঃবেশ কয়েকজন আহতঃ পুলিশের নিস্ক্রিয়তার গুরুতর অভিযোগ

khaleda4

ক্যাপ্টেন(অবঃ)মারুফ রাজুঃ  বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী  খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে আবার হামলা হয়েছে।এ নিয়ে গত তিনদিনে দেশনেত্রীর নির্বাচনী প্রচারনায়   ২ বার হামলা করলো ছাত্রলীগ-যুবলীগের ক্যাডাররা এবং তা ঘটে পুলিশের সামনেই।এ বিষয়ে দেশব্যাপি নিন্দার রোল উঠেছে।

 

khaleda3সিটি নির্বাচনের মেয়র প্রার্থী তাবিথ আওয়ালের পক্ষে প্রচারণা চালাতে তিনি সোমবার বিকেলে রাজধানীর কাওরান বাজারে আসলে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায় সরকার সমর্থকরাই ইট-লাঠি-সোঠা ও রড নিয়ে এই হামলা চালিয়েছে। হামলায় খালেদা জিয়ার গাড়ির গ্লাসও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে তিনি নিরাপদ ও সুস্থ আছেন। সন্ধ্যা ছয়টার দিকে এই ঘটনার পর বিএনপি চেয়ারপারসনের গাড়িবহর বেইলী রোডের উদ্দেশে কারওয়ান বাজার ত্যাগ করে।

 

খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলায় ইটের আঘাতে ফারুক ও ফজলুল করিমসহ ১০-১২ জন আহত হয়েছেন। তাদের ইউনাইটেড হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।হামলায় গাড়ীবহরের বেশ কয়েকটি গাড়ীও ক্ষতিগ্রস্থ হয়। এ সময় দায়িত্বরত সাংবাদিকরা ছবি তুলতে গেলে তাদের ওপরও চড়াও হয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। তারা বেশ কয়েকটি ক্যামেরা ভাঙচুর করে। হামলায় অন্তত চারজন সাংবাদিক আহত হয়েছেন।

 

বিএনপির দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এতে খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকর্মীদের (সিএসএফ) ব্যবহূত তিনটি গাড়ির সামনের গ্লাস ভেঙে যায়। এছাড়াও আরো ৬-৭ টি গাড়ী ভাঙচুর করা হয়। হামলা ঠেকাতে গিয়ে এক সিএসএফ সদস্যের নাক ফেটে যায়। তার রক্তে রঞ্জিত হয় খালেদা জিয়ার গাড়ি। এছাড়া হামলায় গাড়িবহরের সঙ্গে থাকা বিএনপির ছয় নেতাকর্মীও আহত হন।

 

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়ালের পক্ষে তৃতীয় দিনের মতো প্রচারণায় নামেন খালেদা জিয়া। কাওরান বাজারে বিকেল সাড়ে পাঁচটা থেকে গণসংযোগ শুরু করেন তিনি। এ সময় সেখানকার ব্যবসায়ীদের কাছে তিনি তাবিথ আউয়ালের পক্ষে ভোট চান। এ সময় খালেদা জিয়া বলেন, ‘চোরদের ভোট দেবেন না। সারা দেশে তারা শুধু চুরি আর চুরি করছে। আপনারা তাবিথ আউয়ালকে ভোট দেবেন।’

 

বক্তব্য শেষ হওয়ার আগেই একদল যুবক খালেদা জিয়ার গাড়িবহর লক্ষ্য করে ইট ছুড়ে মারে। এ সময় বিএনপি চেয়ারপারসনের গাড়িবহরে থাকা নিরাপত্তা টিম এবং নেতাকর্মীদের সঙ্গে হামলাকারীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়।

 

একপর্যায়ে ক্ষমতাসীন নেতাকর্মীরা লাঠিসোটা নিয়ে খালেদা জিয়ার গাড়িবহরের বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে। পুলিশ সদস্যদের এ সময় নিরব থাকতে দেখা যায়।

 

এর আগে বাসা থেকে বের হয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের গাড়িবহর গুলশান-২, বনানী, মহাখালী ফ্লাইওভার হয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনের সড়ক দিয়ে বিজয় স্মরণীর মোড়ে উপস্থিত হয় বিকেল পাঁচটা ২০ মিনিটে। এরপর গাড়িবহরটি ফার্মগেটের উদ্দেশে রওনা দেয়।

 

সাড়ে পাঁচটার একটু আগে বহরটি কারওয়ান বাজারে উপস্থিত হয়। এরপর খালেদা জিয়া গাড়ি থেকে নেমে গণসংযোগ শুরু করেন।

Share this post

scroll to top
error: Content is protected !!