হজের খুতবায় মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধভাবে থাকার আহ্বান

ক্যাপ্টেন (অবঃ) মারুফ রাজুঃ পবিত্র হজের খুতবায় মসজিদুল হারামের সাবেক ইমাম ও খতিব শায়খ ড. সালেহ বিন হুমাইদ মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধভাবে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার মসজিদে নামিরায় হজের খুতবা প্রদানকালে তিনি এ আহ্বান জানান। হজের মূল খুতবার সঙ্গে বাংলাসহ বিশ্বের ৩৫ টি ভাষায় এর অনুবাদ সরাসরি প্রচারিত হচ্ছে। এবার এর বাংলায় হজের খুতবার বাংলা অনুবাদ করছেন সৌদি আরবে অধ্যয়নরত চার বাংলাদেশী শিক্ষার্থী।

আজ আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করছেন লাখ লাখ হাজি। সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখর থাকবে পাহাড়েঘেরা এ প্রান্তর। এখানকার জাবালে রহমতে দাঁড়িয়ে প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সা.) বিদায় হজের ভাষণ দিয়েছিলেন।

খুতবায় ড. সালেহ বিন হুমাইদ বলেন, আল্লাহ তায়ালা মুসলিমদের ঐক্যবদ্ধভাবে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন এবং নিজেদের মাঝে দ্বন্দ্ব ও দল উপদল তৈরি করতে নিষেধ করেছেন। মুসলমানদের পরস্পরের মধ্যে ঐক্য ও সংহতি বজায় রাখা উচিত। 

তিনি বলেন, ঈমানদারদের উচিত আল্লাহকে ভয় করা এবং তাকওয়া অবলম্বন করা। তাকওয়া ঈমানদারের বৈশিষ্ট্য।

তিনি আরও বলেন, শয়তান মুসলমানদের প্রকাশ্য শত্রু। মুসলমানদের উচিত পরস্পরের মধ্যে ঐক্য ও সংহতি বজায় রাখা।

শায়খ সালেহ বিন হুমাইদ বলেন, আল্লাহ তায়ালা ইসলামকে মানবজাতির জন্য দ্বীন হিসেবে পছন্দ করেছেন। যদি তুমি তোমার শত্রুকে ক্ষমা করো, তাহলে আল্লাহ তোমাকে তাঁর বন্ধু বানিয়ে নেবেন।

ড. সালেহ বিন হুমাইদ বলেন, সৎকর্ম পাপসমূহকে মুছে দেয়। তাই আমাদের উচিত যতটা সম্ভব নেক কাজের চেষ্টা করা। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, আল্লাহর এবাদত এমনভাবে করো যেন তুমি তাঁকে দেখছ।

মসজিদুল হারামের সাবেক ইমাম বলেন, ইসলাম ধর্মের তিনটি স্তর রয়েছে, যার মধ্যে সর্বোচ্চ স্তর হলো ‘ইহসান’। পিতা-মাতার সঙ্গে সদ্ব্যবহার, নম্রতা প্রদর্শন এবং প্রতিশ্রুতি পূরণ করাও ইসলামেরই অংশ। আর লজ্জাশীলতা বা হায়া হলো ঈমানের একটি শাখা।

Share this post

scroll to top