ক্যাপ্টেন (অবঃ) মারুফ রাজু: চট্টগ্রামের প্রখ্যাত ব্যবসায়ী ও সমাজসেবী আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান ভূঁইয়ার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে। গত বছরের এই দিনে, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪, তিনি চট্টগ্রামের একটি ক্লিনিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯০ বছর।
মরহুম হাবিবুর রহমান ভূঁইয়া ছিলেন পাকিস্তানের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও দানবীর, তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তান আমলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনে মুসলিম লীগের টিকিটে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মরহুম নুরুল ইসলাম ভূঁইয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র। পারিবারিক ঐতিহ্য ও মূল্যবোধের ধারক হিসেবে তিনি নিজেও সমাজ ও ব্যবসায়ে রেখে গেছেন উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
তিনি ইস্টার্ন মটরস লিমিটেডের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি, চট্টগ্রাম সমাজকল্যাণ পরিষদের সভাপতি এবং সুগন্ধা আবাসিক এলাকা কল্যাণ সমিতির দীর্ঘদিনের সভাপতি হিসেবে তাঁর নেতৃত্বে বহু সমাজসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। জীবদ্দশায় তিনি অসংখ্য দাতব্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, যা আজও তাঁর স্মৃতিকে জীবন্ত করে রেখেছে।
মৃত্যুকালে তিনি তিন পুত্র এবং একমাত্র কন্যা সন্তান রেখে গেছেন। তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র, কানাডা প্রবাসী ক্যাপ্টেন (অব.) মারুফুর রহমান রাজু, একজন মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, দৈনিক প্রথম বাংলাদেশ ডট নেট পত্রিকার সম্পাদক এবং বিএনপি নেতা হিসেবে পরিচিত। তাঁর কনিষ্ঠ ভাইদের প্রতিষ্ঠিত উত্তরা গ্রুপ অফ কোম্পানিজ বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম স্বনামধন্য ব্যবসায়িক গোষ্ঠী।
গতবছর, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪, বুধবার, বাদ জোহর চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ এলাকার মক্কী মসজিদে তাঁর নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয় এবং পাঁচলাইশ কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।
আজকের দিনে, তাঁর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পরিবারের পক্ষ থেকে দোয়া মাহফিল ও কোরআন খতমের আয়োজন করা হয়েছে। আত্মীয়-স্বজন, শুভানুধ্যায়ী ও সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত ছিলেন।
আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান ভূঁইয়ার জীবন ও কর্ম আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।



