বাংলাদেশের হয়ে একাই লড়লেন সাইফ

ক্যাপ্টেন (অবঃ) মারুফ রাজু:  সাইফ হাসান এবং পারভেজ হোসেন ইমনের নাম বাদ দিলে বাংলাদেশ দলের বাকি ৯জন ব্যটারের রান পাশাপাশি বসালে একটা টেলিফোন নাম্বার হয়ে যাবে নিশ্চিত। সাইফ হাসান আর পারভেজ হোসেন ইমনছাড়া আর কোনো ব্যাটারই দুই অংকের ঘর স্পর্শ করতে পারেনি। বিশেষভাবে বললে, ভারতীয়দের সামনে একা বুক চিতিয়ে লড়াই করলেন সাইফ হাসান।

কিন্তু তার এই লড়াই মোটেও কাজে আসলো না। ভারতের কাছে ৪১ রানে হেরে যেতে হলো টাইগারদের। বড় জয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করলো ভারত। আর বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচটি হয়ে গেলো অঘোষিত সেমিফাইনাল।

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৬৮ রান সংগ্রহ করে ভারত। জয়ের জন্য ১৬৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ অলআউট হয়েছে ১৯.৩ ওভারে ১২৭ রানে। সর্বোচ্চ ৬৯ রান করেন সাইফ হাসান।

সাইফ হাসান এবং তানজিদ তামিম জুটি ভালো একটি সূচনা এনে দেবেন, এটাই ছিল সবার প্রত্যাশা; কিন্তু জসপ্রিত বুমরাহ বোলিংয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে যেন থমকে যান তানজিদ তামিম। তার বলে বোকার মত ব্যাটের কানায় লাগিয়ে ক্যাচ তুলে দেন তানজিদ তামিম। ৩ বলে ১ রান করে আউট হয়ে যান তিনি। এরপর পারভেজ ইমন এবং সাইফ হাসান মিলে ৪২ রানের জুটি গড়ে তোলেন।

পারভেজ ইমন ১৯ বলে ২১ রান করে আউট হয়ে গেলেই ডায়রিয়া শুরু হয় বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে। একপাশে নিঃসঙ্গ শেরপার মত লড়াই চালিয়ে যান সাইফ হাসান। তাওহিদ হৃদয় ৭ রানে, শামীম হোসেন পাটোয়ারী শূন্য রানে, জাকের আলী অনিক ৪ রানে, সাইফউদ্দিন ৪ রানে, রিশাদ হোসেন ২ রানে, তানজিম সাকিব শূন্য রানে, মোস্তাফিজ ৬ রান করে আউট হন। নাসুম আহমেদ অপরাজিত থাকনে ৪ রান করে।

ভারতের কুলদিপ যাদব নেন সর্বোচ্চ ৩ উইকেট। ২টি করে উইকেট নন জসপ্রিত বুমরাহ, বরুন চক্রবর্তি। অক্ষর প্যাটেল ও তিলক ভার্মা ১টি করে উইকেট নেন।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৬৮ রান সংগ্রহ করে ভারত। ৩৭ বলে ৭৫ রানের টর্নেডো খেলেন অভিষেক শর্মা। তার ইনিংস সাজানো ছিল ৬টি বাউন্ডারি ও ৫টি ছক্কায়।

Share this post

scroll to top