দৃষ্টি আজ ডাকসুতে

ক্যাপ্টেন (অবঃ) মারুফ রাজু:  সবার দৃষ্টি এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-ডাকসু নির্বাচনের দিকে। আজ সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরামহীনভাবে ডাকসু এবং হল সংসদের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। কোন প্যানেল বা কে হবেন ডাকসুর নির্বাচিত প্রতিনিধি-সেটি নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে। ছাত্রদের এই নির্বাচনে জাতীয় রাজনীতির উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে। বিদেশি কূটনৈতিক মিশন এবং রাজনৈতিক দলগুলোও তীক্ষ্ণ নজর রাখছে।

ঐতিহ্যবাহী ডাকসু নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন স্তরের নিরাপত্তাবেষ্টনী গড়ে তোলা হয়েছে। উৎসবমুখর প্রচারণা শেষে প্রার্থীরা এখন ভোটের অধীর অপেক্ষায়। এবার ডাকসু নির্বাচনে ২৮টি পদের বিপরীতে মোট ৪৭১ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এবং ১৮টি হল সংসদ নির্বাচনে ২৩৪টি পদে ১ হাজার ৩৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী মোট ভোটার সংখ্যা ৩৯ হাজার ৭৭৫ জন। সব মিলিয়ে প্রায় ৯টি প্যানেল এ প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হয়েছে। প্যানেলের বাইরে রয়েছেন অনেক স্বতন্ত্র প্রার্থী। এবারের ডাকসু নির্বাচন মোট আটটি পৃথক ভোটকেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। যেখানে মোট ৮১০টি ভোট দেওয়ার বুথ থাকবে। প্রত্যেক ভোটারের জন্য একটি করে ৬ পৃষ্ঠার ওএমআর ফর্ম দেওয়া হবে। এর মধ্যে ৫ পৃষ্ঠা কেন্দ্রীয় সংসদ এবং ১ পৃষ্ঠা হল সংসদের জন্য বরাদ্দ থাকবে। এতে প্রার্থীদের নাম, ব্যালট নম্বর, পদবির নাম এবং ভোট দেওয়ার জন্য নির্ধারিত ঘর থাকবে। আর ভোটগ্রহণ শেষে ভোট গণনা হবে ৮টি কেন্দ্রে স্থাপনকৃত ১৪টি অত্যাধুনিক স্ক্যানিং মেশিনে।


নির্বাচনের চিফ রিটার্নিং অফিসার অধ্যাপক জসীম উদ্দিন জানিয়েছেন, মাঠপর্যায়ে মেশিনে ফর্ম লোডিং, যাচাই ও কারিগরি জটিলতা মিলিয়ে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টার মধ্যে গণনা শেষ করা সম্ভব হবে। কেন্দ্রীয় সংসদের জন্য ২৮টি ও হল সংসদের ১৩টিসহ একজন ভোটারকে মোট ৪১টি ভোট দিতে হবে। ভোটকেন্দ্রগুলো সম্পূর্ণ সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। এছাড়া এলইডি স্ক্রিনের মাধ্যমে সরাসরি ভোট গণনা দেখানো হবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সবার প্রত্যাশা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্ররা যোগ্য এবং বিচক্ষণ প্রার্থীকেই বেছে নেবেন।

কোন পদে কতজন লড়ছেন :এবার ডাকসুর ২৮টি পদের বিপরীতে মোট ৪৭১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে নারী প্রার্থী আছেন ৬২ জন। মোট ৪৭১ জন প্রার্থীর মধ্যে সহসভাপতি (ভিপি) পদে ৪৫ জন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ১৯ জন, সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে ২৫ জন, মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক পদে ১৭ জন, কমনরুম, রিডিংরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক পদে ১১ জন, আন্তর্জাতিক সম্পাদক পদে ১৪ জন, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে ১৯ জন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক পদে ১২ জন, গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে ৯ জন, ক্রীড়া সম্পাদক পদে ১৩ জন, ছাত্র পরিবহন সম্পাদক পদে ১২ জন, সমাজসেবা সম্পাদক পদে ১৭ জন, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক পদে ১৫ জন, মানবাধিকার ও আইন সম্পাদক পদে ১১ জন এবং ক্যারিয়ার উন্নয়ন সম্পাদক পদে ১৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়া ১৩টি সদস্য পদে ২১৭ জন প্রার্থী হয়েছেন। অন্যদিকে ১৮টি হল সংসদে ১৩টি পদে মোট ১ হাজার ৩৫ জন প্রার্থী চূড়ান্তভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।


বিভিন্ন হলে প্রার্থীর সংখ্যা হলো—ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হলে ৫৯ জন, বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলে ৩১ জন, সলিমুল্লাহ মুসলিম হলে ৬২ জন, জগন্নাথ হলে ৫৫ জন, ফজলুল হক মুসলিম হলে ৫৮ জন, শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে ৭৫ জন, রোকেয়া হলে ৪৫ জন, সূর্যসেন হলে ৭৫ জন, হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলে ৬০ জন, শামসুন নাহার হলে ৩৫ জন, কবি জসীম উদ্দীন হলে ৬৮ জন, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলে ৭৩ জন, শেখ মুজিবুর রহমান হলে ৫৯ জন, শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলে ৩৬ জন, অমর একুশে হলে ৭৬ জন, কবি সুফিয়া কামাল হলে ৩৮ জন, বিজয় একাত্তর হলে ৬৮ জন এবং স্যার এ এফ রহমান হলে ৬২ জন।

মোট প্যানেল নয়টি: এবারের ডাকসু নির্বাচনে নয়টি প্যানেল ভোটযুদ্ধে অবতীর্ণ হচ্ছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের ‘বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদ’ প্যানেল, ছাত্রশিবিরের ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’, উমামা ফাতেমার নেতৃত্বে ‘স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য’, বামপন্থি শিক্ষার্থীদের ‘প্রতিরোধ পর্ষদ’, বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের ‘ডাকসু ফর চেঞ্জ’, ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের ‘সচেতন শিক্ষার্থী সংসদ’, স্বাধীন বাংলাদেশ ছাত্র সংসদের ‘সমন্বিত শিক্ষার্থী সংসদ’ এবং তিনটি বামপন্থি সংগঠনের ‘অপরাজেয় ৭১ অদম্য ২৪’। এছাড়া কয়েকটি প্যানেল আংশিক মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে।

ভোটকেন্দ্র কোথায়: নির্বাচনে মোট আটটি পৃথক ভোটকেন্দ্রের ৮১০টি বুথে ভোট গ্রহণ করা হবে। কেন্দ্রগুলো হলো, ১. কার্জন হলে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হল, অমর একুশে হল ও ফজলুল হক মুসলিম হল। ২. শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রে  জগন্নাথ হল, শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল, ও সলিমুল্লাহ মুসলিম হল। ৩. ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে রোকেয়া হল। ৪. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাব কেন্দ্রে  বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হল ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল। ৫. সিনেট ভবন কেন্দ্রে স্যার এ এফ রহমান হল, হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল ও বিজয় একাত্তর হল। ৬. উদয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে সূর্যসেন হল, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল, শেখ মুজিবুর রহমান হল ও কবি জসীম উদদীন হল । ৭. ভূতত্ত্ব বিভাগ কেন্দ্রে  কবি সুফিয়া কামাল হল এবং ৮. ইউ ল্যাব স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে  শামসুন নাহার হল।

যেভাবে ভোট দিবেন ভোটাররা:ভোটারদের তাদের সুবিধাজনক সময়ে নির্ধারিত ভোটকেন্দ্রে যেতে হবে। এরপর ভোটকেন্দ্রে থাকা পোলিং কর্মকর্তাকে পরিচয় নিশ্চিত করবেন। প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী হলে তার লাইব্রেরি কার্ড অথবা পে-ইন স্লিপ দেখিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করা যাবে। অন্য বর্ষের শিক্ষার্থীরা হল আইডি কার্ড, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডি কার্ড অথবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি কার্ড দেখিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করবে। পরিচয় নিশ্চিতের পর ভোটারের আঙুলে অমোচনীয় কালির দাগ দেবেন ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা। এরপর ভোটার তালিকায় নিজের নামের পাশে স্বাক্ষর করবেন ভোটার। তারপর পোলিং কর্মকর্তাকে ভোটার নম্বর জানাতে হবে। পরবর্তী ধাপে ব্যালট নিয়ে ভোটার প্রবেশ করবেন গোপন ভোট কক্ষে।  ফোন বা কোনো ইলেকট্রনিকস ডিভাইস নিয়ে ভোট কক্ষে প্রবেশ করা যাবে না। ব্যালট পেপার থেকে পছন্দের প্রার্থীর নাম ও ব্যালট নম্বর খুঁজে বের করবেন ভোটার। এরপর পছন্দের প্রার্থীর নামের পাশের ঘরে স্পষ্টভাবে ক্রস চিহ্ন দেবেন। খেয়াল রাখতে হবে, ক্রস চিহ্নটি যেন ঘরের বাইরে না যায়। ভোটদান শেষে সেটি ব্যালট বাক্সে জমা দেবেন। কেন্দ্রীয় সংসদ ও হল সংসদের জন্য দুটি আলাদা ব্যালট বক্স থাকবে। ব্যালট পেপার ভাঁজ না করে সেগুলো নির্ধারিত বাক্সে ফেলে ভোটার তার ভোটদানের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন।

ডাকসু নির্বাচন জাতির জন্য উদাহরণ সৃষ্টি করবে, বললেন  ঢাবি ভিসি:ডাকসু নির্বাচন সমগ্র জাতির জন্য উদাহরণ সৃষ্টি করবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান। গতকাল সোমবার বিকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ডাকসু নির্বাচনের দিকে পুরো দেশ তাকিয়ে আছে। বহু বছর পর আমরা একটা ঐতিহাসিক নির্বাচনের দিকে যাচ্ছি। ডাকসু নির্বাচন সমগ্র জাতির জন্য উদাহরণ সৃষ্টি করবে। এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো আশঙ্কা নেই। এদিকে গতকাল এক ভিডিও বার্তায় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ঢাবি উপাচার্য বলেন, ডাকসু তোমাদের অনুষ্ঠান, তোমরা গভীরভাবে চেয়েছো, তাই আমরা আয়োজন করেছি। নির্বাচনি প্রস্তুতি শেষ পথে। শিক্ষার্থীরা নির্ভয়ে ভোট দিতে আসবেন, আমরা অপেক্ষায় থাকব।

ডাকসু হবে একটি মডেল নির্বাচন, বললেন নির্বাচন কমিশনার: ডাকসু নির্বাচন হবে একটি মডেল নির্বাচন। বাংলাদেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অনুসরণ করতে পারে এমন দৃষ্টান্ত ঢাবি শিক্ষার্থীরা তৈরি করবে। ডাকসুর প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন এসব কথা বলেছেন। গতকাল বিকালে ডাকসু নির্বাচন কমিশন অফিসের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন ‌‌।

চিফ রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেক ভালো। কোনো ধরনের শঙ্কা আমরা দেখছি না। শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আবাসিক ও অনাবাসিক শিক্ষার্থী সবাই যেন ভোট দিতে আসে তাদের প্রতি অনুরোধ থাকবে। আমরা সকল অংশীজনের সহযোগিতা চাই যেন সুষ্ঠুভাবে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে পারি।

নিরাপত্তাজনিত কোনো শঙ্কা নেই, বললেন ডিএমপি কমিশনার: ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তাজনিত কোনো শঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাদ আলী। নির্বাচন সুষ্ঠু রাখতে ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। গতকাল সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে ডিএমপির অস্থায়ী পুলিশ কন্ট্রোল রুমের সামনে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। ডিএমপি কমিশনার জানান, আগামীকাল ২ হাজার ৯৬ জন পুলিশ, ডগ স্কোয়াড, সোয়াট টিম, বিশেষায়িত টিম, সাদা পোশাকধারী ডিবি পুলিশ নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে। ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই।

ক্যাম্পাসে প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত :এদিকে নির্বাচনকে সামনে রেখে টানা তিন দিন বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সর্বসাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা থেকে ১০ সেপ্টেম্বর সকাল ৬টা পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশপথগুলো শাহবাগ, পলাশী, দোয়েল চত্বর, শিববাড়ি ক্রসিং, ফুলার রোড, উদয়ন স্কুল ও নীলক্ষেত সর্বসাধারণের জন্য বন্ধ থাকবে। তবে বৈধ আইডি কার্ডধারী শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রবেশ করতে পারবেন। শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পরিবারের সদস্যরা সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, কর্মকর্তা বা কর্মচারীর পরিচয়পত্রের ফটোকপি প্রদর্শন করে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারবেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকারযুক্ত এবং জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন (অ্যাম্বুলেন্স, চিকিত্সক, রোগী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সাংবাদিক ও ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি) ছাড়া অন্য কোনো যানবাহন প্রবেশ করতে পারবে না।

সাইবার হামলার অভিযোগ ছাত্রদলের:ডাকসু নির্বাচনকে ঘিরে ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থীদের ফেসবুক আইডিতে সাইবার আক্রমণের অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সমর্থিত আবিদ-হামিম-মায়েদ পরিষদ। গতকাল দুপুরে মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তারা এমন অভিযোগ করেন। প্যানেলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান বলেন, আমাদের একাধিক ফেসবুক আইডিতে রহস্যজনক সাইবার আক্রমণ হয়েছে। আজ সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি আমার ভেরিফায়েড আইডি নেই হয়ে গেছে। প্রমাণাদি দিয়ে প্রাথমিকভাবে ফিরে পেলেও একটি পোস্ট করার পর আবারও ডিজেবল করে দেওয়া হয়। নির্বাচনের আগে আদৌ আইডি ফিরে পাবো কিনা জানি না। অথচ এই আইডিতেই আমি নির্বাচনি প্রচারণা চালাতাম, যেখানে প্রচুর রিচ হতো। রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলায় ব্যর্থ হয়ে আমাদের ওপর সাইবার আক্রমণ চালানো হচ্ছে।

প্যানেলের জিএস প্রার্থী তানভীর বারী হামিম অভিযোগ করে বলেন, আমাদের তিন জনের আইডিতে সাইবার আক্রমণ চালানো হয়েছে। এর পেছনে সুস্পষ্টভাবে পরাজয়ের আশঙ্কা কাজ করছে। আগামীকাল ব্যালট অ্যাটাকের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে জবাব দিন।

Share this post

scroll to top