DMCA.com Protection Status
ADS

যে নামেই ডাকা হোক, অবিলম্বে নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচন দিনঃ বেগম খালেদা জিয়া

1sepkznক্যাপ্টেন(অবঃ)মারুফ রাজুঃ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি চেয়ারপারসন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, দেশবাসীর দাবি একটাই আর তা হচ্ছে এই মূহুর্তে জাতীয় নির্বাচন। সরকারকে দ্রুত নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে। আর সেই নির্বাচন হতে হবে নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ। সম্ভাব্য ওই নির্বাচন প্রক্রিয়াকে যে নামেই ডাকা হোক না কেন, তা হতে হবে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে।

এছাড়াও, বিডিআর হত্যা এবং হেফাজত হত্যা শেখ হাসিনার প্রতক্ষ্য মদদে হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এলেই কেন এসব হত্যাকান্ড ঘটে? আমরাও তো ক্ষমতায় ছিলাম কিন্তু আমাদের সময়তো এমন ঘটেনি। আর সরকারের মদদ ছাড়া এসব ঘটনা ঘটতেই পারে না। কাজেই এসব হত্যাকান্ডে শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ মদদ ছিল।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৩৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ইনিস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তন বিএনপির পক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় যোগ দিয়ে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া এসব কথা বলেন।

দিনভর দফায় দফায় বৃষ্টিতে রাজধানীতে ভয়বাহ জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। ফলে নগরজুড়ে সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট। যার প্রভাব পড়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায়। বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠান শুরু হওয়া কথা থাকলেও অনুষ্ঠান শুরু হয় ৫টায়। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া অনুষ্ঠান স্থলে আসার জন্যে বিকেল সাড়ে ৩টায় তার গুলশানের বাসা থেকে বের হন আর অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান বিকেল সোয়া ৬টায়।

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে বিকেল ৫টায় কোরআন তেলাওয়াত, জাতীয় সঙ্গীত এবং দলীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে আলোচনা সভার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। প্রায় এক ঘণ্টা বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপারসন। সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতিসহ দলের সাংগঠনিক অবস্থা এবং সম্ভাব্য নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ফুটে ওঠে খালেদা জিয়ার বক্তব্যে।

বিএনপি চেয়ারপার্সন বলেন, বিএনপি এখন অনেক বড় দলে পরিণত হয়েছে। হলরুমে প্রোগ্রাম করা যায় না। আমাদের কর্মসূচি পালনের জন্য মুক্ত অঙ্গন প্রয়োজন। বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সারাদেশে কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছিল কিন্তু বর্তমান অনির্বাচিত স্বঘোষিত সরকার তা করতে দেয়নি। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত জিয়াউর রহমান সম্পর্কে বলতে গিয়ে বেগম খালেদা জিয়া বলেন, আমি গাড়িতে সারাদেশ ঘুরে বেড়িয়েছি। আপনারাও ঘুরেছেন। কিন্তু জিয়াউর রহমান পায়ে হেঁটে সারাদেশ ঘুরেছেন। মানুষের সঙ্গে কথা বলেছেন। গ্রামের উন্নয়ন করেছেন।

তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। মানুষের জীবনে স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি নেই। এ অবস্থার অবসান চাই। দেশে এখন আইনের শাসন বলে কিছু নেই। মানুষ কথা বলতে পারে না। বাকস্বাধীনতা হরণ করা হয়েছে। অন্যদিকে ছাত্রলীগ-যুবলীগ আজকে পেটাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। তারা শিক্ষক, নারী, আইনজীবী, সমাজকর্মীসহ সবাইকেই পেটাচ্ছে। মানুষ পেটানোর জন সরকার তাদের লাইসেন্স দিয়েছে। তিনি বলেন, এ দেশে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি পর্যায়ক্রমে ক্ষমতায় আসবে। অন্য কোনো দলের ওপর জনগণের আস্থা নেই। সেজন্য দেশ ও গণতন্ত্রের স্বার্থে নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিন। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এটিই আমাদের দাবি।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা নির্ভয়ে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিন, এই নির্বাচনে বিজয়ী দল রাষ্ট্র পরিচালনা করুক। এ দেশের জনগণ পরিবর্তন চায়। আমরাও পরিবর্তন চাই। সেই পরিবর্তন অন্য কোনো পন্থায় নয়। নিজ দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমরা সারা দেশে দল গোছানোর কাজ শুরু করেছি। যারা দলের প্রতি আনুগত্যশীল, কর্মসূচি বাস্তবায়নে জীবন বাজি রাখবে তাদের নেতৃত্বে নিয়ে আসবেন। আর ফাঁকিবাজ ও নিষ্ক্রিয়দের পেছনের সারিতে নিয়ে যাবেন। আপনারা যার যার এলাকায় গিয়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করেন। দয়া করে ঢাকায় বসে পকেট কমিটি করবেন না। কারণ অনেক দিন ধরেই আমি আপনাদের সঙ্গে আছি। এলাকার অনেক নেতাকেই আমি চিনি যাদের আপনারাও চিনেন না। তাই পকেট কমিটি করলেও আমি বিশ্বাস করবো না।

তিনি বলেন, বিএপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর কর্মসূচি পালন করতে দিতে এত ভয় কেন সরকারের? কারণ তারা অবাধে খুন গুম করেছে। তারা আন্তর্জাতিক বিশ্বের কাছে এর কি জবাব দেবে; তাই ভয় পাচ্ছে। অনেক পরিবার এখনও হারানো স্বজনদের পথ চেয়ে বসে আছে। গুম হওয়া পরিবারের স্বজনরা একদিন না একদিন বিচার পাবে।

তিনি আরো বলেন, দেশে গণতন্ত্র নেই। মানবাধিকার নেই, আইনের শাসন নেই, বাক স্বাধীনতা নেই। তাদের ভাষা এত নোংরা, এত কুৎসিত ভাষায় এরা কথা বলে, যেটার জবাব দিতেও লজ্জা লাগে। সরকার বাংলাদেশকে পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। পুলিশ দিয়ে কখনও দেশ চালানো যায় না। এভাবে গণতন্ত্র কায়েম হয় না। এতে পুলিশের অত্যাচার জুলুম অনেকগুন বেড়ে যায়। পুলিশ চরিত্র নষ্ট করে ফেলে। পুলিশ বলে আমরা নিজেরাই এই সরকারকে টিকিয়ে রেখেছি। আমরা গণতান্ত্রিক অধিকারের দাবিতে মুক্তিযুদ্ধ করেছি। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা থেকে আওয়ামী লীগ সরে গেছে। তারা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়নি। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসও করে না। রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের দল বিএনপি। জিয়াউর রহমানের দলই মুক্তিযোদ্ধাদের দল।

1sepkzn1জিয়াউর রহমান উন্নয়নের রাজনীতি করতেন মন্তব্য করে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া বলেন, জিয়া পায়ে হেঁটে হেঁটে সারাদেশ ঘুরেছেন। এরকম নজির কম পাওয়া যাবে। গ্রামের উন্নয়ন শুরু হয়েছে জিয়াউর রহমানের সময় থেকে। পল্লীবিদ্যুৎ শুরু করেন জিয়া। কৃষক ও শিল্পের উন্নয়নের কথা চিন্তা করেই তিনি এমন করেছেন। জিয়াউর রহমান ফারাক্কার পানি বেশি এনেছেন। নিজেদের প্রাপ্যটা এনেছেন। আজ সব নদীর উজানে বাঁধ দেওয়া হচ্ছে। এরকম করলে দেশ মরুভূমি হয়ে যাবে। প্রতিবেশী হিসেবে ন্যায্য প্রাপ্যটা পাওয়া উচিত। অথচ অনির্বাচিত স্বঘোষিত সরকার সব কিছু দিয়ে দিয়েছে। অথচ আমরা কিছুই পাইনি। যা চেয়েছে তাই দিয়েছে। তারপরও বলবো আমরা দেশের শান্তি উন্নয়ন চাই। প্রতিটি মানুষের অবস্থার পরিবর্তন করতে চাই। প্রতিটি মানুষের জীবনের নিরাপত্তা চাই। কিন্তু দেশে আজ মানুষের স্বাভাবিক মৃত্যুর কোন গ্যারান্টি নেই। আমরা এ অবস্থার অবসান চাই।

তিনি বলেন, প্রতিশোধ প্রতিহিংসার রাজনীতি বাদ দিতে হবে। প্রতিশোধের রাজনীতি বিএনপি কখনও করেনি, করবে না। আমরা করবো ঐক্য উন্নয়নের রাজনীতি। দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করবো। কোন বিচারককে বলবো না অমুককে ধরে শাস্তি দেন, জেল দেন। এখন কোন আইন নিয়ম কিছুই নেই। আগে বিচারকরা তাদের পেশাকে সম্মান করতেন। কিন্তু বর্তমানে তাদের সরকারের সঙ্গে আসা যাওয়া চলছে। অমুক দাওয়াত তমুক দাওয়াতেও অংশ নিচ্ছেন। বিচারপতি পাবলিকলি পলিটিক্যাল বক্তব্য দিচ্ছেন। এটা কত বড় অপরাধ, এগুলো আমরা হতে দিব না। সত্যিকারের স্বাধীন বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠা করবো। সুশাসন প্রতিষ্ঠা করবো। অফিসারকে নির্ভয়ে কাজ করার সুযোগ দেব। কোন দল দেখা হবে না। দক্ষতা যোগ্যতা দেখে প্রমোশন হবে। সেখানে দেখা হবে না, কে বিএনপি, কে আওয়ামী লীগ, কে জামায়াত ও কে জাতীয় পার্টি।

তিনি বলেন, আমরা অতীতের মতো শিক্ষার উপর গুরুত্ব দেব। কারণ প্রতিটি ছেলে মেয়েকে শিক্ষিত করতে হবে। অথচ প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে অতিরিক্ত ভ্যাট আরোপ করা হয়েছে। সরকারের টাকার অভাব দেখা দিয়েছে। চুরি করার কারণে টাকার অভাব দেখা দিয়েছে। ভ্যাট বাতিল করতে হবে। এটা আমরা মেনে নেব না। দেশনেত্রী বলেন, দেশে বিপুল অংকের চাল আমদানী করা হচ্ছে। আমি আমদানীর বিরোধী নই। প্রয়োজনে দেশের চালের বাজার স্থিতিশীল রাখতে চাল আমদানী করতে হবে। কিন্তু তার আগে দেশের কৃষককে বাঁচাতে তাদের কাছ থেকে ন্যায্য দামে ধান ক্রয় করতে হবে। বিদেশ থেকে আমদানি কমাতে হবে। আওয়ামী লীগ দেশের পাটশিল্প ধ্বংস করেছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, পাটশিল্প একসময় আমাদের গৌরব ছিল। পাট ছিল সোনালি আঁশ। কিন্তু আজ বহু মিল বন্ধ হয়ে গেছে। এতে বেকারত্ব সৃষ্টি হচ্ছে। কুইক রেন্টালের মাধ্যমে টাকা চুরি করে পকেটে নেওয়ায় বিদ্যুত গ্যাসের মূল্য আবার বাড়িয়েছে। বিদ্যুত-গ্যাসের দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জনজীবনে এর বিরূপ প্রভাব পড়বে। তাদের প্রভাব পড়বে না। কারণ তাদের তো সব ফ্রি। বাজারে ৫০ টাকার নিচে কোন সবজি পাওয়া যাচ্ছে না। হাসিনা কথা দিয়েছিল ১০ টাকা কেজি চাল খাওয়াবে। কিন্তু এক দিনের জন্যও আমরা তা দেখিনি। এখন আছে ঘরে ঘরে লোডশেডিং। বিদ্যুৎ নেই। কৃষকদের বিনামূল্যে সার দেওয়ার কথা ছিল। সব হিসেব আমাদের কাছে আছে। আজ ঘরে ঘরে চাকরির বদলে বেকারত্ব সৃষ্টি হয়েছে। আওয়ামী লীগ হলে চাকরি পাবে বিএনপি হলে ডিএনএ পরীক্ষা করে বাদ দেওয়া হয়। এখন সময় হয়েছে সজাগ হওয়ার। দেশ ও মানুষের জন্য কিছু করে যেতে চাই। জেল থেকে বিএনপির নেতাকর্মীদের মুক্তি দিন। অন্যায়ভাবে শাস্তি দেওয়া বন্ধ করুন। জামিন আটকিয়ে রাখবেন না। আইনকে নিজস্বভাবে চলতে দিন।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ছাত্রদল সভাপতি রাজিবকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার চরিত্রহনন করা হচ্ছে। পরিকল্পিতভাবে এটা প্রচার করা হচ্ছে। মনে হচ্ছে দেশের সব তরুণরা মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছে। ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের বক্তব্যের একটি অংশের বিরোধীতা করে বলেন, বাংলাদেশে কোন জঙ্গি নাই। বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটতে দেওয়া হবে না। আমাদের সমাজ ঐক্যবদ্ধ। সেখানে জঙ্গিদের কোন জায়গা হবে না। আমরা আওয়ামী লীগের মত ধর্মনিরপেক্ষ নই। আমরা সব ধর্মের সমান অধিকারে বিশ্বাসী। সবার ধর্মীয় স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। আওয়ামী লীগ ধর্ম নিরপেক্ষতার নামে ধর্মহীন আচরণ করছে। সরকার মুসলমান হলে জঙ্গি বানায়। আর হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি দখল করছে। তাহলে ধর্মনিরপেক্ষতা কোথায়? আজকে মসজিদে নামাজ পড়তে গেলেও নানাভাবে হয়রানি করছে।

তিনি বলেন, দেশে প্রয়োজন গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা। তার জন্য প্রয়োজন নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন। নাম যাই হউক নিরপেক্ষ নির্বাচন হতে হবে। দলীয় সরকারের অধীনে কি নির্বাচন হয়, তা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আমরা দেখেছি।অথর্ব নির্বাচন কমিশনকে বাতিল করে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে। আমার কোন লোক দিতে হবে তা বলছি না। আমরা ভালোর পক্ষে। ভারতে নির্বাচন হয়। সেখানে নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ। পুলিশ নিরপেক্ষ। প্রশাসন নিরপেক্ষ। ব্রিটেনেও দেখেছি সেখানে সুষ্ঠু সুন্দর নির্বাচন হয়। মানুষ পরিবর্তন চায়। তারা পরিবর্তনের আশায় বসে আছে। পরিবর্তন আসবে অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে।

আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্রি. জে.(অব.) আ স ম হান্নান শাহ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন। আলোচনা সভা পরিচালনা করেন বিএনপির মুখপাত্র আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন।

Share this post

scroll to top
error: Content is protected !!