DMCA.com Protection Status
ADS

বাংলাদেশ হারেনি,হেরেছে ভারত এবং আইসিসি

 icc1আজ পুরোবিশ্ব দেখেছে ভারত কিভাবে আইসিসির মাধ্যমে বাংলাদেশকে হারিয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশকে পরিকল্পিতভবে হারানোর বিরুদ্ধে সমালোচনা এখন বিশ্বজুড়ে। অধিকাংশ দেশের সাবেক ক্রিকেটাররাও বাংলাদেশের পক্ষ নিয়েছেন। সে তালিকায় রয়েছে শোয়েব আখতার, লক্ষণ, শেন ওয়ারর্ন ও এবি ডি ভিলিয়ার্সসহ অনেকে।



স্পষ্টভাবে দেখা গেল, রোহিত শর্মার ক্যাচটি ধরার পর আম্পায়ার আলিম দার নো বল ডাকলেন। যেটা কোনভাবেই নো বল নয়। একেতো নো বল নয় তারউপর ক্যাচ ধরার আগে না ডেকে পরে ডাকলেন। বিশ্বের কোন খেলোয়াড় এ সিদ্ধান্ত মানতে পারেনি। আর যে কারণে ভারত যেখানে ২৫০/৬০ রানে আটকে যেতো সেখানে ৩০০ রান পার করেছে। শুধু তাই নয় বর্তমানে বাংলাদেশের মূল ভিত্তি পরপর সেঞ্চুরি করা মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের ৬ রানকে আউট দেখিয়ে প্যাভিলিয়নে পাঠিয়ে দেয়া হলো। স্পষ্টভাবে দেখা গেছে, শেখর ধাওয়ানের পা সীমানার দড়িতে লেগেছে এবং তখন তার হাতে বলটি ছিল। রিয়াদ টিকে থাকলে বাংলাদেশ জিতে যেত। কারণ এর আগেও বাংলাদেশ এই বিশ্বকাপেই ৩০০ রানের ম্যাচ চেজ করে জিতেছে। এবং সে সময় ভারতের চেয়ে অপেক্ষাকৃত বাংলাদেশ এগিয়ে ছিল। তাছাড়া, বাংলাদেশের ব্যাটিং এর সময় নো, ওয়াইড না দেয়া, একটি এলবিডব্লিউ না দেয়া এবং মাঠে আম্পায়ারদের ভারতের খেলোয়াড়দের আদর করার মতো নির্লজ্জ ব্যবহার প্রমাণ করে পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশকে হারিয়ে দিয়েছে আইসিসি তথা ভারত।



গতকাল কিছ সংবাদ মাধ্যমে খবর ছিল, ভারতের বিরুদ্ধে হেরে যেতে মাশরাফিদের নির্দেশ দিয়েছে শেখ হাসিনা। সে সংবাদটা অনেকে বিশ্বাস করতে পারেনি। সেটা স্বাভাবিক। এরকম একটি অবস্থান থেকে এ ধরণের নির্দেশ মেনে নেয়াটা স্বাভাবিক নয়। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। ক্রিকেট এখন আর কোন খেলা নয়। এটা একটা বাণিজ্য। আইসিসি বাণিজ্য করছে। আর তার বাণিজ্যের মূল উৎস ভারত। সো, যেভাবেই হোক ভারতকে টিকিয়ে রাখতেই হবে। তার জন্য সর্বোচ্চ নোংরামিও তারা করতে পারে সেটা আজকের খেলায় প্রমাণিত হয়েছে। ভারত জিতার জন্য এমন কোন কন্সপেরিসি নাই যে করে না। ভারত এ বিশ্বকাপে সবচে ভয় পেয়েছে বাংলাদেশকে। কারণ বাংলাদেশের   দেশপ্রেমিক অধিনায়ক মাশরাফি। তারা জানতো নিরপেক্ষ খেলা হলে তারা হেরে যাবে। আর সে কারণে ভারত ছলে বলে কৌশল এই ম্যাচতার পরিকল্পনা করে। একই কাজ ইতিপূর্বে ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলংকার সাথেও করেছে। গত বিশ্বকাপেই পাকিস্তান জিতা ম্যাচ ভারতকে ছেড়ে দিয়েছিল। সেখানে সামরিক, রাজনৈতিক ও বাণিজি্যিক শক্তিতে বাংলাদেশতো নশ্বর। ক্রিকেট খেলতে হলে ভারতকে ম্যাচ ছেড়ে দিতে হবে এটাই আইসিসির অলিখিত নিয়ম। শেখ হাসিনা বৃহত্তর স্বার্থে ম্যাচটি ছেড়ে দেবার জন্য মাশরাফিকে ফোন করেছিলেন। এটাই সত্য সংবাদ। 



এবার খেলার পর্যালোচনা করলেই সংবাদের সত্যতা প্রমাণিত হবে। আইসিসি যে চুরি করে ম্যাচ জিতেছে এটা কী কেউ অস্বীকার করবেন? করবেন না। তাহলে আইসিসি ভারতকে জিতাতে যেকোন অন্যায় কাজ করতে পারে, সেটাতো মানছেন? যদি মানেন তাহলে বলেনতো, আইসিসির সভাপতি কে? তিনি বাংলাদেশের আওয়ামীলীগের মন্ত্রী মোস্তফা কামাল লোটাস। তিনি তাহলে বাংলাদেশকে জোর করে হারানোর নেপথ্যে রয়েছেন। তারপর রোহিত শর্মার আউটটি দেননি কে? আলিম দার। আলিম দার কে? তিনি টি টুয়েন্টির ফিক্সিংয়ের সাথে জড়িত। তাহলে তিনি কিভাবে আম্পায়ারিং করছেন? বা ভারতের খেলায় কিভাবে পাকিস্তানের আম্পায়ার দেয়া হলো? যেখানে আইসিসি নিয়ন্ত্রণ করে ভারত? তার মানে আলিম দারকে পাপের প্রায়শ্চিত্ত করতে হলো ভারতকে জিতিয়ে আরেকটি পাপের মধ্যদিয়ে। গতকালের সংবাদে আমরা বলেছিলাম, মাশরাফি ম্যাচ হারার হাসিনার নির্দেশ মানতে রাজি না হওয়ায় ভিন্ন ছকে আগাচ্ছে সরকার। সে ছকের একটা আগাম বর্ণণা আমরা দিয়েছিলাম। সেখানে বলা হয়েছিল যেসব খেলোয়াড় দলে চান্স পেতে সমস্যা হচ্ছে তাদেরকে স্থায়ীভাবে সুযোগ দেয়ার শর্তে ফিক্সিং করানো হবে। সে কাজটি কী ইমরুল কায়েস করেননি?

 

কায়েস যে ফিল্ডিং-এর সময় ৪ রান ছেড়ে দিয়েছে সেটা নিশ্চিতভাবে ইচ্ছাকৃত ছিল। তারপর ব্যাটিং এ যে আউটটা হয়েছেন সেটাও ইচ্ছাকৃত। জাদেজার হাতে বল অপরপক্ষের ব্যাটসম্যানের কল ছাড়াই তিনি কেন দৌড়ে গেলেন? আউট হবার জন্যইতো? কারণ কায়েস দলের জায়গা পাচ্ছিলো না। তাই সে এই নোংরা কাজটি করেছে। আরও বলা হয়েছিল, সাকিববে অধিনায়ক বানানোর শর্তে সাকিব ম্যাচ ছেড়ে দিতে পারে। সাকিবের আজকের খেলায় কী সেটা প্রমাণ হয়নি???



আমরা বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ভাল চাই বলেই খেলার ভিতরের সত্যতা ও রাজনীতিটা প্রকাশ করেছিলাম। কোন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য বা অন্যকোন দলকে বিশেষ কোন সুবিধা দেয়ার জন্য নয় এবং কাউকে পচানোর জন্য নয়। 



যেখানে বিশ্ব আসরের খেলাতেই সরাসরি ষড়যন্ত্র করে, চুরি করে ম্যাচ জিতেছে ভারত সেখানে নেপথ্যে ভারত কী করতে পারে সেটা বাংলাদেশের সচেতন মানুষ অবশ্যই বোঝেন। এটা ঠিক যে এরকম বিষয় মেনে নেয়া কঠিন। কিন্তু নিউজবিডিসেভেন মনে করে সত্য যত কঠিন হোক সেটাকে প্রকাশ করতেই হবে। 



তবে বাংলাদেশে কতিপয় ম্যানেজ খেলোয়াড় ছাড়া বাকিরা ৭১ সালের মতো সংগ্রাম করেছে। ৭১ সালে যেভাবে পাকিস্তানি হায়েনাদের হারিয়েছে ঠিক সেভাবে এবার ভারত হায়েনাকে হারাতে সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করেছে মাশরাফি বাহিনী। মাশরাফির জন্য ১৬ কোটি মানুষের দোয়া রইলো। 



আইসিসির এই অন্যায় কন্সপারেসি মেনে নেয়া যায় না। এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন। রাস্তায় নেমে ধিক্কার জানান। বিক্ষোভ করুন আইসিসির কার্যালয়ের সামনে এবং ভারতীয় হাইকমিশনারের কার্যালয়ের সামনে। আর নিউজবিডিসেভেন বিশ্বাস করতে চায়, শেখ হাসিনা বাধ্য হয়েই ম্যাচটি মোদী সরকারকে ছেড়ে দিতে চেয়েছে। কিন্তু তারও বাংলাদেশের ক্রিকেটের প্রতি অগাধ টান রয়েছে। তবে, ক্ষমতার লোভকে বাদ দিয়ে হাসিনা বা মোস্তফা কামালরা যদি দেশপ্রেমকে প্রাধান্য দিতেন তাহলে ইতিহাসে তারা অমর হয়ে থাকতেন আর বাংলাদেশ ইতিহাস সৃষ্টি করে ভারতকে হারিয়ে সেমিফেইনালে চলে যেতো।



আজকের খেলায় বাংলাদেশ হারেনি। হেরেছে ভারত, হেরেছে আইসিসি, সর্বোপরি  হেরেছে ক্রিকেট।

Share this post

scroll to top
error: Content is protected !!