DMCA.com Protection Status
ADS

এরশাদের সঙ্গে এইচটি ইমামের গোপন বৈঠক

 image_80571_0জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সঙ্গে গোপন বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী উপদেষ্টা এইচটি ইমাম।



বুধবার রাত সোয়া নয়টা থেকে সোয়া দশটা পর্যন্ত বারিধারার প্রেসিডেন্ট পার্কে এ বৈঠক চলে। বৈঠকটি গোপনীয়তা বজায় রেখে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গেই করা হয় বলে জানিয়েছে এরশাদের একটি সূত্র।



ঘণ্টাব্যাপী এ বৈঠকে জাপা ও আওয়ামী লীগ সামনের দিনগুলোতে কীভাবে চলবে, চলমান উপজেলা নির্বাচনের বাকি পর্যায়গুলোতে কীভাবে বেশি আসন আসন পাওয়া যাবে, মঞ্জুর হত্যা মামলা, ৭ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এরশাদের নেতাকর্মীদের সহায়তা ও দুই দলই কীভাবে সমঝোতার ভিত্তিতে ক্ষমতায় থাকতে পারে নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।



সেদিন রাতে পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সঙ্গে বৈঠক করে প্রেসিডেন্ট পার্ক থেকে বের হচ্ছিলেন মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার। এ সময় হঠাৎ করেই সেখানে উপস্থিত হন এইচটি ইমাম। তাকে দেখে থতমত খেয়ে যান পার্টির মহাসচিব। দ্রুত তাকে নিয়ে ভেতরে চলে যান।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ইমাম প্রথমে এরশাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং শারীরিক অবস্থার খোঁজ-খবর নেন।



এরপর শুরু হয় পার্টি, দেশ, আওয়ামী লীগের সঙ্গে তার প্রতিশ্রুতি ও মঞ্জুর হত্যা মামলার ব্যাপারে কথাবার্তা।

অন্যান্য দিনের চেয়ে বেশ নরম সুরেই এরশাদের সঙ্গে কথা বলেন এইচটি ইমাম।



এ সময় তিনি উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ভরাডুবি হয়েছে বলে উল্লেখ করেন এবং বাকি উপজেলা নির্বাচনে তিনি এরশাদের আন্তরিক সহাযোগিতা কামনা করেন।

এ সময় মঞ্জুর হত্যা মামলার কোনো সমাধান না হওয়ায় বেশ দুঃখ প্রকাশ করেন এরশাদ। এতে ইমাম তাকে শান্ত্বনা দিয়ে বলেন, ‘নেত্রী বলেছেন বিষয়টি অবশ্যই আপনার পক্ষেই যাবে। কোনো চিন্তুা করবেন না। নেত্রী আরও বলেছেন, এক সঙ্গে কাজ করতে হবে। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। সুন্দরভাবে দেশ পরিচালনায় আপনার সহায়তা খুব দরকার।’



পরে তিনি রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের ৭ মার্চের সমাবেশে জাতীয় পার্টির লক্ষাধিক নেতাকর্মীকে হাজির করার জন্য এরশাদকে করজোরে অনুরোধও করেন।

তার কথায় এরশাদ সম্মতি দিয়ে বলেন, ‘আমাদের সব ধরণের সহায়তা থাকবে সেদিন।’

সবশেষে সামনে সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কীভাবে দুই দলেরই প্রার্থীদের বিজয়ী করা যায় এবং জনগণের কাছে সরকারের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানো যায় তা নিয়েও আলোচনায় হয়।



রাত সোয়া দশটার পর বৈঠক শেষ হয়। এরপর রুহুল আমিনসহ এইচটি ইমাম প্রেসিডেন্ট পার্কের ভেতরেই গাড়িতে উঠে দ্রুত চলে যান। বিষয়টি গণমাধ্যমের কাছে প্রকাশ করা হয়নি।

Share this post

scroll to top
error: Content is protected !!