হাসিনা সংশ্লিস্টতার কারনে ১৭ উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তা বাধ্যতামুলক অবসরে

ক্যাপ্টেন(অবঃ)মারুফ রাজুঃ বাংলাদেশ পুলিশে কর্মরত বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের ১৭ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে তারেক সরকার। এদের মধ্যে ১৬ জন  ডিআইজি ও ১ জন অতিরিক্ত ডিআইজি পদমর্যাদার কর্মকর্তা আছেন। বিগত স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের আমলে বিতর্কিত কর্মকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগেই এই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে পুলিশের একটি দ্বায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে।

রোববার (৩ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এই আদেশ দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে সই করেছেন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী। 

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪৫ ধারার বিধান অনুযায়ী জনস্বার্থে এই কর্মকর্তাদের অবসর প্রদান করা হয়েছে। তারা বিধি অনুযায়ী অবসরজনিত সব সুবিধাদি প্রাপ্য হবেন।

অবসরে পাঠানো কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন- অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিটের ডিআইজি মফিজ উদ্দিন আহম্মেদ, হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি ইমতিয়াজ আহমেদ, সিআইডির ডিআইজি মো. হাবিবুর রহমান, পুলিশ অধিদপ্তরের ডিআইজি (টিআর) সালেহ্ মোহাম্মদ তানভীর, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তরের (এনএসআই) পরিচালক মো. হারুন-অর-রশীদ এবং ঢাকা পুলিশ স্টাফ কলেজের ডিআইজি এস এম আক্তারুজ্জামান। 

তালিকায় আরও আছেন— নোয়াখালী পিটিসির কমান্ড্যান্ট মো. হায়দার আলী খান, খুলনা পিটিসির কমান্ড্যান্ট মো. মাহবুবুর রহমান ভূইয়া, ট্যুরিস্ট পুলিশের ডিআইজি মো. রুহুল আমিন, হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি মো. রফিকুল হাসান গনি, নৌ-পুলিশের ডিআইজি মো. মিজানুর রহমান এবং রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. মজিদ আলী।এছাড়া পুলিশ অধিদপ্তরের ডিআইজি কাজী জিয়া উদ্দিন, রেলওয়ে পুলিশের ডিআইজি মো. গোলাম রউফ খান, রংপুর পিটিসির কমান্ড্যান্ট শেখ মোহাম্মদ রেজাউল হায়দার এবং হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি রখফার সুলতানা খানমকেও অবসরে পাঠানো হয়েছে।একই আদেশে রেলওয়ে পুলিশের পুলিশ সুপার (সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) ফারহাত আহমেদকেও চাকরি থেকে অবসর দেওয়া হয়।

 

জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

Share this post

scroll to top