সিলেটে শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করলেন তারেক রহমান

ক্যাপ্টেন(অবঃ)মারুফ রাজুঃ সিলেটে হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ বুধবার রাত ৯টা ২০ মিনিটে তিনি মাজারে পৌঁছান। মাজার জিয়ারত শেষে তারেক রহমান মাজার কবরস্থানে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানীর কবরও জিয়ারত করেন।

পরে রাত পৌনে ১০টার দিকে হজরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজারের উদ্দেশে রওনা দেন তারেক রহমান।

সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী প্রথম বাংলাদেশকে বলেন, দীর্ঘ ২০ বছর পর আজ সিলেটে এলেন তারেক রহমান। এখান থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার জনসভার মধ্য দিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা শুরু করবেন তিনি। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত জিয়াউর রহমান ও সদ্য প্রয়াত সাবেক চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াও প্রতিবার নির্বাচনের আগে মাজার জিয়ারতের পাশাপাশি সিলেটে প্রথম নির্বাচনী জনসভা করতেন।

হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতের সময় সিলেটের নেতাদের মধ্যে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর, এম এ মালিক ও এনামুল হক চৌধুরী, কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জি কে গউছ, সহসাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ্ সিদ্দিকী, জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক এমরান আহমদ চৌধুরী, মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সড়কে নেতা-কর্মীদের ভিড়
ঢাকা থেকে বিমানযোগে রাত আটটার দিকে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তারেক রহমান। পরে তিনি গাড়িবহর নিয়ে শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে যান। এ বিমানবন্দর থেকে মাজার সড়কের স্থানে স্থানে দুই পাশে অবস্থানরত হাজার হাজার নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ তারেক রহমানকে অভিবাদন জানান। তিনি বাসের ভেতর থেকে হাত নেড়ে সবাইকে শুভেচ্ছা জানান।

নেতা-কর্মীরা সড়কে অবস্থান করায় তারেক রহমানকে বহনকারী বাস ঠিকমতো চলতে পারছিল না। সাধারণত বিমানবন্দর থেকে মাজার পর্যন্ত আসতে প্রায় ১৫ মিনিট লাগে। তবে তারেক রহমানকে বহনকারী বাস প্রায় সোয়া এক ঘণ্টায় মাজারে আসে। মাজারের ফটকের সামনের সড়কে যখন নেতা-কর্মীদের চাপে গাড়ি এগোচ্ছিল না, তখন উপস্থিত মানুষজনের উদ্দেশে কথা বলেন খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর। তিনি সবাইকে রাস্তা থেকে সরে বাস চলাচলের সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ জানান।

সরেজমিনে দেখা গেছে, শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার ও আশপাশে বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মীর উপস্থিতি। পুরো এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরাপত্তা ছিল উল্লেখ করার মতো। মাজারের প্রধান ফটক থেকে তারেক রহমান হেঁটে ভেতরে ঢোকেন। এ সময় মাজারের দুই পাশে আগে থেকে দাঁড়িয়ে থাকা নেতা-কর্মীরা নানা ধরনের স্লোগান দেন। অনেকে আবার ‘সিলেটি দামান্দ’ ও ‘দুলাভাই, দুলাভাই’ স্লোগান দেন। তারেক রহমানও হাত নেড়ে সবাইকে শুভেচ্ছা জানান।

সিলেট বিএনপির নেতা-কর্মীরা জানান, তারেক রহমানের সিলেট আগমনে নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ উচ্ছ্বসিত। তাই তাঁর চলাচলের সড়কের দুই পাশে নেতা-কর্মীরা ছাড়াও সাধারণ মানুষজন দাঁড়িয়ে অভিবাদন জানান।

Share this post

scroll to top