অবশেষে সূচির সমালোচনায় ড. ইউনুস, জাতিসংঘে কড়া প্রতিবাদ চিঠি

ক্যাপ্টেন(অবঃ)মারুফ রাজুঃ অবশেষে মুখ খুললেন মিয়ানমারে রোহিঙ্গা উপর ভয়াবহ নির্যাতন এবং গনহত্যার ঘটনায় ‘চুপ করে আছেন’ বলে সমালোচনার মুখে থাকা শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস ।

তিনি শান্তিতে নোবেল জয়ী মিয়ানমারের রাজনীতিক অং সান সূচির তীব্র সমালোচনাও করেছেন। তবে তিনি একা নন সাথেআরো ১৩ জন নোবেল জয়ী তার সমালোচনা করে বিবৃতি দিয়েছেন। ইউনূসসহ ১৩ নোবেল জয়ী এবং আরো ১০ জন আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব সুচির সমালোচনা করে বিবৃতি দিয়েছেন।

এই ২৩ জন জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ বরাবর একটি খোলা চিঠি লেখেন।

সেই চিঠিতে তারা উল্লেখ করেন, মিয়ানমারে যা ঘটছে তা জাতিগত নির্মূল অভিযান এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের পর্যায়ে পড়ে। বার বার আবেদন জানানোর পরও মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চি যেভাবে রোহিঙ্গাদের পূর্ণ ও সমান নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছেন, তা অত্যন্ত হতাশাব্যঞ্জক ও দুঃখজনক ।

বিষয়টি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের আলোচ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করার জন্যও তারা আহ্বান জানিয়েছেন। তারা জাতিসংঘ মহাসচিবকে রোহিঙ্গাদের অবস্থা দেখতে মিয়ানমারে যাওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।ফ

লে রোহিঙ্গা আরো একধাপ আন্তর্জাতিক সমালোচনার মুখে পড়েছেন শান্তিতে নোবেল বিজয়ী অং সান সু চি।
এই বিবৃতিতে স্বাক্ষরদানকারী নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ীদের মধ্যে আছেন- পূর্ব তিমুরের হোসে রামোস হোর্তা, উত্তর আয়ারল্যান্ডের মেইরিড মগুইয়ের, দক্ষিণ আফ্রিকার আর্চবিশপ ডেসমন্ড টুটু, কোস্টারিকার অস্কার আরিয়াস, যুক্তরাষ্ট্রের জডি উইলিয়ামস, ইরানের শিরিন এবাদি, ইয়েমেনের তাওয়াক্কুল কারমান, লাইবেরিয়ার লেমাহ জিবোইয়ি, বাংলাদেশের মুহাম্মদ ইউনুস ও পাকিস্তানের মালালা ইউসুফজাই।

তারা চিঠিতে আরো উল্লেখ করেন, অং সান সু চি মিয়ানমারের নেত্রী এবং এক্ষেত্রে সাহসিকতা, মানবিকতা ও সহানুভূতির সঙ্গে বিষয়টি মোকাবেলার প্রাথমিক দায়িত্বটি তারই কাঁধে ছিল। অথচ তিনি ব্যর্থ হয়েছেন।

তারা জাতিসংঘের উদ্দেশ্যে বলেন, মিয়ানমারে যাতে নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের কাছে মানবিক ত্রাণ পাঠানো যায় সেজন্যে মিয়ানমার সরকারকে সব বিধিনিষেধ তুলে নিতে বাধ্য করতে সম্ভাব্য সব কিছু করতে তারা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি আহ্বান জানান।

Share this post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

scroll to top