DMCA.com Protection Status
ADS

ভারতের লোকসভায় ভোটগ্রহণ শুরু ৭ এপ্রিল, শেষ ১২ মে : অবশেষে লালু প্রসাদ যাদবের সঙ্গে জোট গড়লেন সোনিয়া গান্ধী

P5_lokshovae-votegrohonবহুল প্রত্যাশিত লোকসভা ভোট অবশেষে শুরু হচ্ছে ৭ এপ্রিল। ভারতের প্রায় ৮১ কোটি ভোটার এবার লোকসভা নির্বাচনে ভোট দেবেন। ৭ এপ্রিল প্রথম দফায় ভারতের দুইটি রাজ্যে ভোটগ্রহণের মাধ্যমে শুরু হবে লোকসভা নির্বাচনের আনুষ্ঠানিকতা। পরে ৯ এপ্রিল, ১০ এপ্রিল, ১২ এপ্রিল, ১৭ এপ্রিল, ২৪ এপ্রিল, ৩০ এপ্রিল, ৭ মে এবং সর্বশেষ ১২ মে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। মোট ৯ দফায় ভোটগ্রহণ করা হবে। ফলাফল ঘোষণা করা হবে ১৬ মে।

প্রথম দফায় ৭ এপ্রিল ভারতের দুইটি রাজ্যের লোকসভার মোট ছয়টি আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

দ্বিতীয় দফায় ৯ এপ্রিল লোকসভার মোট সাতটি আসনে ভোটগ্রহণ। তৃতীয় দফায় ১০ এপ্রিল ১৪টি রাজ্যের ৯২টি আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

১২ এপ্রিল চতুর্থ দফায় চারটি রাজ্যের ৩২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। পঞ্চম দফায় ১৭ এপ্রিল ১৩টি রাজ্যের ১২২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে।

২৪ এপ্রিল ষষ্ঠ দফায় ১২টি রাজ্যের ১১৭টি আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সপ্তম দফায় ৩০ এপ্রিল ৯টি রাজ্য এবং কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলগুলোতে ভোটগ্রহণ করা হবে। এদিন সর্বমোট লোকসভার ৮৯টি আসনের জন্য ভোট দেবেন ভোটাররা।

অষ্টম দফায় ৭ মে সাতটি রাজ্যের ৬৪টি আসনে লোকসভা ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সর্বশেষ নবম দফায় ১২ মে তিনটি প্রদেশের ৪১টি আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

অতঃপর ১৬ মে ভোট গণনা। আজ ভারতের নির্বাচন কমিশন নিম্নকক্ষ লোকসভার ভোটের তফসিল ঘোষণা করে। স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টায় বিজ্ঞানভবনে সাংবাদিক সম্মেলনে ভোটের দিনক্ষণ জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার ভিএস সম্পত। ২০০৯ সালে লোকসভা ভোট শুরু হয়েছিল ১৬ এপ্রিল। এবার তা এগিয়ে ৭ এপ্রিল করার ইঙ্গিত মিলেছিল আগেই। বর্তমান লোকসভার মেয়াদ শেষ হবে পয়লা জুন। ৩১ মে’র মধ্যে সরকার গঠন করতে হবে। দেশজুড়ে লোকসভা নির্বাচনের পাশাপাশি অন্ধ্রপ্রদেশ, উড়িষ্যা ও সিকিমে বিধানসভা নির্বাচন হবে। অন্ধ্রপ্রদেশে বিধানসভা ভোট হবে তেলেঙ্গানা অঞ্চলকে ধরেই।

এদিকে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে বিহারে কংগ্রেস-আরজেডি জোট হলো। বিহারে ৪০টি লোকসভা আসনের মধ্যে ২৭টিতে লড়বে লালুপ্রসাদ দল, ১২টি আসনে লড়বে কংগ্রেস ও বাকি ১টি আসনে লড়বে জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস।

অর্থাত্ এবারের লোকসভা ভোটে বিহারে ত্রিমুখী লড়াই হচ্ছে। বিজেপি+এলজিপি বনাম কংগ্রেস+আরজেডি বনাম জেডিইউ।

রাহুল গান্ধীর ইচ্ছা ছিল নীতিশ কুমারের দল জেডিইউয়ের সঙ্গে জোট গড়ার। কিন্তু বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগ করার পর নীতিশ কংগ্রেসের সঙ্গে জোটে যেতে রাজি হননি। রামবিলাস পাসোয়ানও নরেন্দ্র মোদীকে সমর্থনের কথা ঘোষণা করেন। বিহারে একা লড়ার ঝুঁকি নিতে চায়নি কংগ্রেস। তাই লালুকে সঙ্গে নিয়েই বিহারে লড়তে হচ্ছে কংগ্রেসকে। লালুপ্রসাদ যাদবের সঙ্গে কংগ্রেসের সম্পর্ক অবশ্য বরাবরই বেশ ভালো।

ক’দিন ধরেই লালুর সঙ্গে কংগ্রেসের সমস্যা হচ্ছিল আসন বন্টন নিয়ে। কিছুতেই জোটের ম্যাজিক ফর্মুলা বের হচ্ছিল না। কিন্তু লোকসভা ভোট একেবারে সামনে চলে আসার পর কংগ্রেস কিছুটা সমঝোতা করে।

পশুখাদ্য কেলেঙ্কারিতে জেল হওয়ার পর জামিনে ছাড়া পাওয়ার পর লালু বলেছিলেন, মোদীকে যেভাবে হোক তিনি হারাতে চান। তখন থেকেই কংগ্রেসের সঙ্গে জোটের রাস্তা খোলা রেখেছিলেন বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

Share this post

scroll to top
error: Content is protected !!