অতীত মনে রাখতেই লোডশোডিং করা হচ্ছে: তৌফিক-ই ইলাহী

62840_75555লোডশেডিং না থাকলে অতীতকে আমরা ভুলে যাব। অতীতকে মনে রাখা ভালো। তাই অতীতকে মনে রাখতে কিছুটা লোডশোডিং রাখতেই হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই ইলাহী চৌধুরী। 



তিনি বলেন, লোডশেডিংয়ের ভোগান্তি থেকে এবার পুরোপুরি মুক্তি মিলছে না। এ সময় লোডশেডিংয়ে জনগণকে একটু ধৈর্য ধরারও পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রীর এ জ্বালানি উপদেষ্টা।



কক্সবাজারের মহেশখালীতে কয়লাভিত্তিক ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে চীনা কোম্পানির সঙ্গে সমঝোতা চুক্তিসই শেষে মঙ্গলবার দুপুরে বিদ্যুৎ ভবনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।



বিদ্যুতের উৎপাদন ক্ষমতা ১০ হাজার মেগাওয়াট হওয়া সত্ত্বেও লোডশেডিং হচ্ছে কেন? জানতে চাইলে তৌফিক-ই ইলাহী চৌধুরী বলেন, অনেক মেশিনই পুরনো। পুরনো মেশিনের কারণে ২০ শতাংশ তথা প্রায় ২ হাজার মেগাওয়াট কম উৎপাদন হয়। এছাড়া তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে হওয়ায় উৎপাদন ক্ষমতা কমে যায়। সব মিলিয়ে ৭ হাজার মেগাওয়াটের মতো বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। এরপরেও আমরা লোডশেডিং কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করছি।



পেট্রোবাংলার কর্মকর্তাদের দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, সেখানে কর্মরত কর্মকর্তারা সৎ। তারা সততার সঙ্গেই কাজ করছে। দুদক স্বাধীন, তাই তারা যে কাউকে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই পারে।



এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে মহেশখালীতে ১৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে চায়না হুয়াডিয়ান হংকং কোম্পানি লিমিডেটের সঙ্গে বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের (বিপিডিবি) সমঝোতা সই হয়। মহেশখালী দ্বীপের পশ্চিমে ৬টি মৌজার বিপরীতে ৫৫০ একর জায়গা জুড়ে এ বিদুৎকেন্দ্র স্থাপিত হতে যাচ্ছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণের মেয়াদকাল ধরা হয়েছে ২০১৯ সাল পর্যন্ত। উভয় দেশ ৩০ শতাংশ অর্থের যোগান দেবে। বাকি ৭০ শতাংশ অর্থ ঋণ নেয়া হবে বলে জানা গেছে।

Share this post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

scroll to top